ভারতে মঙ্গোল আক্রমণ (১২৯৭–১২৯৮) । Mongol Invasion of India in Bengali

WhatsApp Group (Join Now) Join Now
Telegram Group (Join Now) Join Now
Rate this post

আজ এই আর্টিকেলের মাধ্যমে ১২৯৭ থেকে ১২৯৮ সাল পর্যন্ত ভারতে মঙ্গোল আক্রমণ বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হল। দিল্লীর সুলতানি আমলের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হইতেছে মোঙ্গলদের আক্রমণ। বার বার এই বহিঃশত্রুর আক্রমণে দিল্লীর সুলতানগণ ব্যতিব্যস্ত হইয়া উঠিয়াছিলেন।

এই আক্রমণের ফলে কেবলমাত্র যে উত্তর- পশ্চিম ভারত, পাঞ্জাব প্রভৃতি অঞ্চল বিধ্বস্ত হইত তাহাই নয়, সুলতানগণের বৈদেশিক ও আভ্যন্তরীণ নীতি পর্যস্ত, অনেকাংশে প্রভাবান্বিত হইয়া পড়িত। সেই জন্যই মোঙ্গলদের আক্রমণের রাজনৈতিক গুরুত্ব ছিল সমধিক ।

মোঙ্গল (Mongol) কথাটির উৎপত্তি হইয়াছে ‘মোঙ’ শব্দ হইতে, যাহার অর্থ হইতেছে নিৰ্ভীক। “Head strong and fierce in battle, they (Mongols) wear cotton garments over their bodies of steel. They had hats of wool over thin face of fire and it looked as if the fire would set the wool aflame.”-Amir Khusrav.

ভারতে মঙ্গোল আক্রমণ । Mongol Invasion of India in Bengali

এক নজরে

ক্রমিক সংখ্যাসাল মঙ্গোল নেতা ভারতীয় শাসক ফলাফল
প্রথম মঙ্গোল আক্রমণ 1221-1224 চাগতাই খানতইলতুৎমিশসিন্ধু নদীর কাছে পৌঁছানোর পর মঙ্গোলরা পিছু হটে।
দ্বিতীয় মঙ্গোল আক্রমণ
1241-1242ওগেদাই খানইলতুৎমিশওগেদি খানের মৃত্যুর কারণে মঙ্গোলরা এই অভিযান প্রত্যাহার করে নেয়।
তৃতীয় মঙ্গোল আক্রমণ 1292-1294 দুয়া খান জালালউদ্দিন খলজি
মঙ্গোলরা পরাজিত হয় এবং পিছু হটতে বাধ্য হয়।
চতুর্থ মঙ্গোল আক্রমণ 1303-1304 তুঘলক তৈমুরআলাউদ্দিন খলজি
মঙ্গোলরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে পিছু হটে যায়।
পঞ্চম মঙ্গোল আক্রমণ 1307-1308 কদর আলাউদ্দিন খলজি
মঙ্গোলরা পরাস্ত হয় এবং পিছু হটতে বাধ্য হয়।
ষষ্ঠ মঙ্গোল আক্রমণ 1327-1328 তারমাশিরিন মুহাম্মদ বিন তুঘলক
মঙ্গোলরা তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি, তাই এই অভিযান প্রত্যাহার করে নেয়।
সপ্তম মঙ্গোল আক্রমণ 1338-1339 তারমাশিরিনমুহাম্মদ বিন তুঘলক
মঙ্গোলরা দিল্লি দখল করতে ব্যর্থ হয় এবং পিছু হটে যায়।
অষ্টম মঙ্গোল আক্রমণ 1398 তৈমুর মাহমুদ তুঘলক
মঙ্গোলরা দিল্লি দখল করে ব্যাপক ধ্বংসলীলা চালায়।

মোঙ্গলদের ইতিবৃত্ত

তাহারা ছিল মধ্য এশিয়ার যাযাবর জাতি; ধর্মের দিক দিয়া তাহারা ছিল সাধারণ পৌত্তলিক। তাহারা বেশির ভাগই ছিল সুদক্ষ অশ্বারোহী, নিষ্ঠুর ও দুর্ধর্ষ সৈনিক। চিঙ্গিজ খাঁর বাহিনীর অধিকাংশই ছিল এই মোঙ্গল অশ্বারোহী যাযাবরগণ ।

পরবর্তী যুগে, চতুর্দশ শতাব্দীতে তাহারা অনেকে তুর্কী জাতির সহিত মিলিয়া যাইতে থাকে এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করিয়া অনেকখানি সভ্য হইয়া উঠে। তাহারাই মুঘল (Mughul) নামে ইতিহাসে বিখ্যত ।

মোঙ্গল আক্রমণ ও দাস সুলতানগণ: চিঙ্গিজ খাঁ:

চিঙ্গিজ খাঁর দিগ্বিজয়

ভারতবর্ষে প্রথম মোঙ্গল আক্রমণ দেখা দেয় ইলতুৎমিসের রাজত্বকালে, চিঙ্গিজ খার নেতৃত্বে। ত্রয়োদশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে চিঙ্গিজ খা মোঙ্গলদের রাজপদ লাভ করেন। একটি দুর্ধর্ষ বাহিনী লইয়া তিনি চীনের একটি বিরাট অংশ এবং মধ্য এশিয়ার রাজ্যগুলি একের পর এক জয় করেন।

তিনি খারজম (Khawrizm) আক্রমণ করেন এবং সমরখন্দ, বোখারা প্রভৃতি শহর বিধ্বস্ত করেন। অতঃপর খারজমের সুলতানকে অনুসরণ করিয়া তিনি আফগানিস্তানে উপস্থিত হইলেন।

সুলতানি সম্রাজ্যের উপকণ্ঠে মোঙ্গল বাহিনী

হিরাট, গজনী পদানত করিয়া তিনি ১২২১ খ্রীষ্টাব্দে পেশোয়ারে উপস্থিত হইলেন । সুলতানি সাম্রাজ্যের কেন্দ্র দিল্লী মোঙ্গল আক্রমণের সম্মুখীন হইল।

কিন্তু ইলতুৎমিস খারজমের সুলতান জালাল-উদ্দিনের আশ্রয় প্রার্থনা অগ্রাহ্য করিয়া তাঁহার বিরুদ্ধাচরণ করিলে জালাল-উদ্দিন ভারত ত্যাগ করিয়া যাইতে বাধ্য হন; সুলতানি সাম্রাজ্যও চিঙ্গিজ খাঁর আক্রমণ হইতে রক্ষা পাইয়া যায়।

চিঙ্গিজ খাঁ ভারতের অভ্যন্তরে আর অগ্রসর হইলেন না। তাঁহার মোঙ্গল বাহিনীর নিকট পাঞ্জাব ও সিন্ধু অঞ্চলের উত্তাপ অসহ্য বোধ হইল ৷ তা ছাড়া তাহার পশ্চাদ ভাগও সম্ভবতঃ সম্পূর্ণ পদানত হয় নাই। সুতরাং তখনকার মত মোঙ্গল বাহিনী ভারত ত্যাগ করিয়া গেল ৷

সুলতান বাহরাম ও বাহাদুর তৈর-এর আক্রমণ

কিন্তু তখনকার মত চিঙ্গিজ খাঁ ভারত ত্যাগ করিয়া গেলেও তিনি পরবর্তী মোঙ্গল আক্রমণকারীদের পথ নির্দেশ করিয়া গেলেন।

রাজিয়ার পরবর্তী সুলতান মুইজ-উদ্দিন বাহ্রামের রাজত্ব কালে মোঙ্গল নেতা হুলাগু-র (Hulagu) অনুচর বাহাদুর তৈর ১২৪ ১ খ্রীষ্টাব্দে এক মোঙ্গল বাহিনী লইয়া পাঞ্জাব বিধ্বস্ত করেন এবং লাহোর দখল করেন। আভ্যন্তরীণ দুর্বলতার ফলে সুলতান তাঁহাকে কোন বাধা প্রদান করিতে অক্ষম হন।

সুলতান মামুদ ও মোঙ্গল আক্রমণ

অতঃপর ১২৪৫ খ্রীষ্টাব্দে মামুদ শাহের রাজত্বকালে মোঙ্গল বাহিনী আরও অগ্রসর হইয়া মুলতান দখল করিল এবং উচ্, অবরোধ করিল। অবশ্য এবার তাহারা বলবনের নেতৃত্বে পরিচালিত সুলতান বাহিনীর আগমনে পশ্চাদপসরণ করে।

পরবর্তী সুলতান নাসির উদ্দিনের সময় মোঙ্গল আক্রমণ আরও বৃদ্ধি পায়। কিন্তু তাঁহার সুদক্ষ মন্ত্রী বলবনের ব্যবস্থাদির ফলে সে সমস্ত আক্রমণ প্রায়ই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।

সুলতান নাসিরুদ্দিন বলবন ও শের খাঁ

পশ্চিম পাঞ্জাবের শক্তিশালী জায়গীরদার শের পর বাহিনীর নিকট মোঙ্গল বাহিনী কয়েকবার পর্যদস্ত হইলে মোঙ্গল নেতা হুলাগু দিল্লীতে দূত প্রেরণ করেন এবং প্রতিশ্রুতি দেন যে তাঁহারা দিল্লী সাম্রাজ্যের সীমা আর লঙ্ঘন করিবেন না। অ পাঞ্জাব ও সিন্ধু উপত্যকাকে মোঙ্গল প্রভাব হইতে তখনও সম্পূর্ণ মুক্ত করা সম্ভব হয় নাই ।

মহম্মদ তুঘলকের দুর্বল সীমান্ত নীতি

বলবনের রাজত্বকালে সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হইল এই মোঙ্গল আক্রমণ। এই জন্য তাঁহাকে দৈন্য বাহিনীর শক্তি বৃদ্ধি করিতে ও উত্তর- পশ্চিম সীমান্ত সুরক্ষিত করার দিকেই বেশী মনোযোগ দিতে হইয়াছিল, এবং সুলতানি সাম্রাজ্যকে ভারতবর্ষের অভ্যন্তরে বিভিন্ন দিকে বিস্তৃত করিবার নীতি তিনি গ্রহণ করিতে পারেন নাই । অত্যন্ত দৃঢ়তার সহিত মোঙ্গল আক্রমণ প্রতিরোধ করিবার জন্য তিনি বিভিন্ন ব্যবস্থাদি অবলম্বন করিলেন।

সুলতান বলবনের মোঙ্গল নীতি

শের খাঁর মৃত্যুর পর তিনি মূলতান-দীপালপুর অঞ্চলে প্রথম পুত্র মহম্মদকে এবং সামান ও সুনাম অঞ্চলে দ্বিতীয় পুত্র বঘরা খাঁকে সসৈন্যে মোতায়েন করিলেন। ১২৭৯ খ্রীষ্টাব্দে মোঙ্গলগণ পাঞ্জাব আক্রমণ করিলে দুই পুত্রের সম্মিলিত বাহিনীর নিকট পরাজিত হইয়া ভারত ত্যাগ করিতে বাধ্য হয়।

মোঙ্গল আক্রমণ প্রতিরোধ

কিন্তু ১২৮৬ খ্রীষ্টাব্দে তামুর খার (Tamur Khan) নেতৃত্বে মোঙ্গলগণ আবার আক্রমণ করিলে মহম্মদ তাহাদের বাধা প্রদান করিতে যাইয়া প্রাণ হারান।অতঃপর বৃদ্ধ সুলতান স্বয়ং মোঙ্গলদের বিরুদ্ধে অভিযান করিয়া পাঞ্জাব পুনরুদ্ধার করেন।

🔥আরও পড়ুনঃ-

👉 দিল্লির সুলতানি সাম্রাজ্যের পতনের কারণ

মোঙ্গল আক্রমণ ও আলাউদ্দিন খলজী:

আলাউদ্দিন খলজী ও মোঙ্গল আক্রমণ

বলবনের পরও মোঙ্গলগণ মাঝে মাঝে ভারত সীমান্ত অতিক্রম করিয়া আক্রমণ চালাইয়াছিল । আলাউদ্দিন খলজির রাজত্বের প্রথম দিকে সে আক্রমণ তীব্র হইয়া উঠিয়াছিল ।

একবার তাহাদের আক্রমণে দিল্লীর উপকণ্ঠ পর্যন্ত বিপদাপন্ন হইয়া উঠিয়াছিল। এই সমস্ত আক্রমণ ১২৯৬ হইতে ১৩০৮ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যে দুর্ধর্ষ মোঙ্গল নেতা আমীর দাউদ, সন্দি (Saldi, কুঘ খাজা, ইকবাল মন্দ প্রভৃতির দ্বারা পরিচালিত হইয়াছিল।

জাফর খাঁর কৃতিত্ব

প্রথম দিকে উত্তর-পশ্চিম ভারতের শাসনকর্তা জাফর খাঁ-র নিকট তাঁহারা কয়েক বার পরাজিত হন। কিন্তু তাহাদের তৃতীয় অভিযান প্রতিরোধ করিতে যাইয়া জাফর খাঁ-র মৃত্যু হইলে আলাউদ্দিন সুযোগ্য নেতৃত্বের অধীনে এক বিরাট বাহিনী এই কাজে নিযুক্ত করিলেন।

মোঙ্গল আক্রমণের বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা

তিনি কতকগুলি সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেন, নূতন দুর্গ নির্মাণ করেন এবং পুরাতন দুর্গের সংস্কার সাধন করেন। পাঞ্জাবের শাসনকর্তা মালিক গাজীকে সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়।

মোঙ্গলগণ বার বার পরাজিত হইয়া ভারত আক্রমণের নেশা অনেকখানি ত্যাগ করিলে, হিন্দুস্থান সম্বন্ধে তাহাদের মনে এক দারুণ ভীতির সঞ্চার হইল ৷ আলাউদ্দিনের রাজত্বের শেষ দিকে তাহারা আর ভারত আক্রমণের সাহস পায় নাই ।

মোঙ্গল আক্রমণ ও তুঘলক সুলতানগণ:

মহম্মদ তুঘলকের দুর্বল সীমান্ত নীতি

আলাউদ্দিনের পর মোঙ্গলগণ আবার ভারত আক্রমণ শুরু করে; কিন্তু গিয়াস উদ্দিন তুঘলকের বিরুদ্ধতার ফলে বিশেষ কিছু সুবিধা করিয়া উঠিতে পারে না । তাঁহার বংশধর মহম্মদ বিন-তুঘলকের রাজত্ব কালে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত সংরক্ষণের ব্যবস্থার কিছুটা দুর্বলতা দেখা দিয়াছিল।

দেবগিরিতে রাজধানী স্থানান্তরের কিছু কালের কিছুকালের মধ্যেই ১৩২৮ খ্রীষ্টাব্দে মোঙ্গল নেতা তরমাশিরীন পাঞ্জাব, লাহোর ও মুলতান বিধ্বস্ত করিয়া দিল্লী পর্যন্ত অগ্রসর হইলেন। সুলতান অবশ বিভিন্ন পন্থায় সেই সমস্ত আক্রমণ প্রতিরোধ করিতে সক্ষম হন।

তৈমুরলঙ্গের আক্রমণ

পরবর্তী তুঘলক বংশীয় সুলতানগণের রাজত্বকালে মোঙ্গল বাহিনী কর্তৃক কোন বড় রকমের আক্রমণ সংঘটিত হয় নাই । তুঘলক শাসনের শেষ দিকে, সুলতান নাসিরুদ্দিন মামুদের রাজত্ব কালে, ১৩৯৮ খ্রীষ্টাব্দে চাঘতাই তুর্কী জাতির নেতা, সমর খন্দের অধিপতি তৈমুর লঙ্গ কর্তৃক দিল্লী ও নিকটবর্তী অঞ্চল সমূহ বিধ্বস্ত হয়। সেই সঙ্গে দিল্লীর সুলতানি শাসনও দ্রুত ধ্বংসের দিকে ধাবিত হয়।

মোঙ্গল আক্রমণের ফলাফল:

দিল্লীর সুলতানি সাম্রাজ্যকে বার বার মোঙ্গল আক্রমণের সম্মুখীন হইতে হইয়াছিল। বস্তুতঃ ভারতের বহির্দেশ হইতে প্রধানতঃ তাহাদের আক্রমণই ছিল সুলতানগণের একটি প্রধান সমস্যা। এই বিপদ স্বভাবতঃই তাঁহাদের বৈদেশিক ও আভ্যন্তরীণ নীতিকে যথেষ্ট প্রভাবান্বিত করিয়াছিল।

প্রধান বৈদেশিক বিপদ সামরিক শক্তি ব্যয়

(ক) সুলতানি সাম্রাজ্যের অনেকখানি সামরিক শক্তি ভারতের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত রক্ষায় ব্যয় হইত; অনেক সুদক্ষ সেনাপতিকে এই অঞ্চলে নিয়োজিত থাকিতে হইত, রাজকোষের প্রচুর অর্থেরও অপচর হইত।

সাম্রাজ্যের বিস্তার বনাম আভ্যন্তরীণ শক্তি সংহতি

(খ) দাস সুলতান বলবনকে এই বৈদেশিক আক্রমণের ফলে এত বেশি সন্ত্রস্ত থাকিতে হইয়াছিল যে তিনি সুলতানি সাম্রাজ্যের বিস্তার সাধন করার কোন চেষ্টা করিয়া উঠিতে পারেন নাই; বরং তাঁহাকে আভ্যন্তরীণ শক্তি সংহত করিবার দিকেই দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখিতে হইয়াছিল।

রাজধানীর বিপদ

(গ) মহম্মদ তুঘলকের রাজধানী পরিবর্তনের পরিকল্পনার পশ্চাতেও এই মোঙ্গল আক্রমণের প্রভাব কার্য করিয়াছিল; স্থলতানি সাম্রাজ্যের রাজধানী দিল্লীকে তিনি মোঙ্গল বাহিনী হইতে অনেক দূরে সরাইয়া লইতে চাহিয়াছিলেন ৷

সুতরাং সমস্ত দিক বিচার করিয়া দেখিলে দেখা যাইবে যে, মোঙ্গল আক্রমণ সুলতানগণের আভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতিকে যথেষ্ট প্রভাবান্বিত করিয়াছিল।

উপসংহার

উপরে উল্লেখিত ভারতে মঙ্গোল আক্রমণ চর্চা করে এটা বলা যায় যে মঙ্গোলরা বারংবার ভারতে আক্রমণ করেছে তাদের ক্ষমতা বিস্তারের আসায়। এখানে তাদের সফলতা এবং অসফলতা দুটোয় লক্ষণীয়।

মঙ্গোল আক্রমণ ভারতের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। ভারতে মঙ্গোল আক্রমণ সম্পর্কে আপনাদের কোনো অভিমত থাকলে আপনারা আমাদের কম্যান্ড বক্সতে কম্যান্ড করে জানাতে পারেন, আর প্রয়োজনে বন্ধুদের কাছে শেয়ার করতে পারেন।

FAQs

প্রশ্ন: মোঙ্গলরা প্রথম কবে ভারত আক্রমণ করে?

উত্তর: চেঙ্গিস খানের নেতৃত্বে মঙ্গোলরা 13 শতকে প্রথম ভারত আক্রমণ করে।

প্রশ্ন: কোন সুলতানের রাজত্বকালে ভারতে সর্বপ্রথম মোঙ্গল আক্রমণ হয়েছিল?

উত্তর: 1221 খ্রীষ্টাব্দে ইলতুৎমিশের রাজত্বকালে ভারতে সর্বপ্রথম মোঙ্গল আক্রমণ হয়ে।

প্রশ্ন: মোঙ্গলরা কেন সুলতানি সাম্রাজ্য আক্রমণ করেছিল?

উত্তর: ক্ষমতা এবং প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে মোঙ্গলরা সুলতানি সাম্রাজ্য আক্রমণ করেন।

Hey, My Name is Priyanka From Diamond Harbour, West Bengal & I Have Been Blogging Since 3 Years Ago. I Have 10+ Websites Which I Manage by Myself. I completed my graduation in philosophy.

Leave a Comment