মারাঠা শক্তির উত্থান । Rise of Maratha Power in Bengali

WhatsApp Group (Join Now) Join Now
Telegram Group (Join Now) Join Now
Rate this post

আজ আমরা মহারাষ্ট্রের মারাঠা শক্তির উত্থানের কারণ সম্পর্কে আলোচনা করবো। মহারাষ্ট্রের চারিদিকে পর্বত বেষ্টিত ত্রিভুজাকার মালভূমিতে বাস করতো মারাঠিভাষীর জনগোষ্ঠী মারাঠারা।

এটি ছিল একটি দুর্গম এলাকা কারণ এই জায়গাটা ছিল পুরোপুরি পাহাড়, জঙ্গল এবং মালভূমি বেষ্টিত। ভৌগোলিক অবস্থানের কারনে মারাঠারা ছিল অত্যন্ত সাহসী, পরিশ্রমী, এবং শক্তিশালী।

এই প্রতিকূল জলবায়ু মারাঠাদের মধ্যে সংগ্রামী গুণের জন্ম দেয়। তাই মারাঠা রাষ্ট্রটি একটি শক্তিশালি রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয়।

মারাঠা শক্তির উত্থান । Rise of Maratha Power in Bengali

এক নজরে

16 এবং 17 শতকে ঠিক মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের সময় মারাঠা শক্তির উত্থান ভারতীয় ইতিহাসে একটি যুগান্তকারি ঘটনা। এই মারাঠা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে তাদেরকে জাতীয় চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার স্রষ্টা ছিলেন শিবাজী মহারাজ। যিনি ইতিহাসে ছাত্রপতি শিবাজী নামে বেশি পরিচিত।

শিবাজী তার জীবনাকালে 1627-80 খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত মারাঠা জাতিকে একটি শক্তিশালী জাতি এবং মারাঠা রাষ্ট্রকে একটি শক্তিশালী স্বাধীন রাষ্ট্রতে পরিণত করেছিলেন। শিবাজীর দ্বারা কিভাবে মারাঠা শক্তির উত্থান হয়েছিল তা আমরা নিচে আলোচনা করব।

মারাঠা জাতির মধ্যে নব-জাগরণ ভক্তি আন্দোলনের প্রভাব

সপ্তদশ শতাব্দীতে মারাঠা জাতির উত্থান ভারতের ইতিহাসে এক অতি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। মহারাষ্ট্রের পর্বতসঙ্কুল প্রাকৃতিক পরিবেশে মারাঠাগণ ছিল আত্মনির্ভরশীল সাহসী ও কষ্টসহিষ্ণু। দীর্ঘদিন ধরিয়া নানা কারণে তাহাদের মধ্যে এক নব-জাগরণের লক্ষণ দেখা যাইতেছিল।

ক্রমিক সংখ্যা সাল ঘটে যাওয়া ঘটনা
1.1674 খ্রিষ্টাব্দ
শিবাজি ভোঁসলে মারাঠা সাম্রাজ্যের ছত্রপতি (সম্রাট) হন।
2.1680 খ্রিষ্টাব্দ
শিবাজীর পুত্র শম্ভুজি সিংহাসনে বসেন।
3.1689 খ্রিষ্টাব্দ
শম্ভুজির ভাই রাজারাম ছত্রপতি হন।
4.1699 খ্রিষ্টাব্দ
রাজারাম এর স্ত্রী তারাবাই তার পুত্র দ্বিতীয় শিবাজীকে সিংহাসনে বসান।
5.1707 খ্রিষ্টাব্দ
মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যু।
6.1708 খ্রিষ্টাব্দ
তারাবাই মারাঠা সাম্রাজ্যের উপর নিয়ন্ত্রণ হারান এবং পেশোয়ারা ক্ষমতা লাভ করে।
7.1713 খ্রিষ্টাব্দ
বালাজি বিশ্বনাথ ক্ষমতা লাভ করে।
8.1730 খ্রিষ্টাব্দ
বাজি রাও ক্ষমতা লাভ করে।
9.1737 খ্রিষ্টাব্দ
বাজি রাও প্রথম ক্ষমতা লাভ করে।
10.1761 খ্রিষ্টাব্দ
আহমাদ শাহ দুররানির বিরুদ্ধে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে মারাঠাদের পরাজয়।
11.1764 খ্রিষ্টাব্দ
মারাঠারা “হিন্দু পাদশাহ” নামে পরিচিত মহাদজি শিন্দের নেতৃত্বে আবার ক্ষমতায় ফেরে।
12.1775 খ্রিষ্টাব্দ
মারাঠাদের সাথে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রথম অ্যাংলো-মারাঠা যুদ্ধ শুরু হয়।
13.1818 খ্রিষ্টাব্দ
তৃতীয় অ্যাংলো-মারাঠা যুদ্ধ মারাঠাদের পরাজয় আর মারাঠা ব্রিটিশ অঞ্চলে সংযুক্ত হয়।

🔥আরও পড়ুনঃ-

👉 শিবাজীর চরিত্র ও কৃতিত্ব

মারাঠীদের মধ্যে একাত্মবোধ জাতীয়তাবোধের উন্মেষ

(ক) গত কয়েক শতাব্দী ধরিয়া মহারাষ্ট্র দেশে ভক্তি আন্দোলনের ফলে মারাঠাগণের মধ্যে একাত্মবোধ এবং জাতীয়তাবোধের উন্মেষ হইতে থাকে । স্বধর্ম রক্ষার এক প্রেরণা তাহাদিগকে উদ্বুদ্ধ করিয়া তোলে;

মারাঠা ভাষা ও ভূমিকা

(খ) মারাঠী ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশের ফলে তাহাদের মধ্যে এক  গভীর ঐক্যবোধ জাগিয়া উঠে; তুকারাম রচিত ভজন মারাঠা জাতির সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে গীত হইয়া নিঃসন্দেহে তাহাদের এই একতাবোধের বৃদ্ধিসাধন করিয়াছিল।

সামরিক শিক্ষার সুযোগ

(গ) দীর্ঘকাল ধরিয়া মারাঠাগণ দাক্ষিণাত্যের বিভিন্ন সুলতানী বংশের অধীনে সামরিক বৃত্তি গ্রহণ করিয়া সামরিক শিক্ষা-দীক্ষায় অভিজ্ঞ হইয়া উঠিতেছিল।

শাসন বাপারে অভিজ্ঞতা

(ঘ) সুলতানগণের অধীনে জায়গীর প্রাপ্ত হইয়া, এমন কি তাঁহাদের শাসনব্যবস্থায় উচ্চ পদ লাভ করিয়া তাহাদের অনেকে কেবলমাত্র শাসনব্যাপারেই অভিজ্ঞতা লাভ করে নাই, যথেষ্ট প্রতিপত্তিশালীও হইয়া উঠিয়াছিল। এই সমস্ত কারণে মারাঠাগণের মধ্যে এক নব জাগরণ দেখা যায়। তাহারা নতুন করিয়া শক্তিশালী হইয়া উঠিতে থাকে।

শিবাজীর সংগঠনী শক্তি ও নেতৃত্ব

(ঙ) কিন্তু তখনও রাজনীতিক্ষেত্রে বিভিন্ন মারাঠা সম্প্রদায়গুলি ছিল বিভক্ত ও বিচ্ছিন্ন। অবশেষে শিবাজীর সংগঠনী শক্তি ও নেতৃত্ব তাহাদিগকে এক স্বাধীন ঐক্যবদ্ধ জাতিতে পরিণত করিল ।

শিবাজীর প্রথম জীবন (Early life of Shivaji):

জন্ম ও বাল্যকাল মাতা ও গুরুদেবের শিক্ষা

মারাঠা জায়গীরদার শাহজী ভোসলার পুত্র শিবাজী ১৬২৭ খ্রীষ্টাব্দে ( কাহারও মতে ১৬০০ খ্রীষ্টাব্দে ) শিবনের পার্বত্য দুর্গে জন্মগ্রহণ করেন। শিবাজী তাঁহার বাল্যকালে মাতা জিজাবাঈ ও দাদাজী কোগুদেবের তত্ত্বাবধানে পুনায় বাস করিতেন।

তাহাদের শিক্ষা ও অনুপ্রেরণায় শিবাজীর মনে বীরত্ব ও দেশপ্রেম সঞ্চারিত হয়, তাঁহার মধ্যে শ্রেষ্ঠ চারিত্রিক গুণাবলীর বিকাশ হয়, তিনি অশ্বচালনা, যুদ্ধবিদ্যা প্রভৃতি অনুরূপ কার্যে দক্ষ হইয়া উঠেন। শীঘ্রই তিনি পার্বত্য মাওয়ালীগণকে লইয়া এক দুর্ধর্ষ সেনাবাহিনী গঠন করেন।

উচ্চ আদর্শে অনুপ্রাণিত

অতঃপর উচ্চ আদর্শে অনুপ্রাণিত দুঃসাহসিক শিবাজী অদম্য উৎসাহ ভরে বিভিন্ন দুর্গ জয় করিবার জন্য প্রস্তুত হইলেন ।

বিজাপুর রাজ্যের কয়েকটি দুর্গ জয়

বিজাপুর রাজ্যের বিশৃঙ্খলার সুযোগ লইয়া শিবাজী সর্বপ্রথম ১৬৪৭ খ্ৰীষ্টাব্দে তোরণা দুর্গটি দখল করিয়া লইলেন । ইহার পর তিনি চকন দুর্গ এবং বড় মতি ও ইন্দুপুরের সামরিক ঘাঁটিগুলি দখল করিলেন । ইহার অব্যবহিত পরে তিনি সিংহগড়, কোন্দন, পুরন্দর ও কল্যাণ দুর্গগুলি দখল করিলে বিজাপুরের সুলতান সচেতন হইলেন; তিনি শিবাজীকে নিরস্ত করিবার জন্য তাঁহার পিতা শাহ জীকে কারারুদ্ধ করিলেন।

শাহজীর মুক্তি বিজাপুরের সহিত সন্ধি

শিবাজী কুটকৌশলের আশ্রয় গ্রহণ করিয়া শাহ জাহানের পুত্র মুরাদের হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করিলেন। ফলে তাঁহার পিতা মুক্ত হইলেন। অবশ্য তাঁহাকেও ছয় বৎসর কাল (১৬৪১–৫) নিশ্চেষ্ট থাকিতে হইল। এই অবসরে অবশ্য তিনি নিজ শক্তি বৃদ্ধি করিয়া ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হইতে লাগিলেন ।

বিজাপুর ও মোগল শক্তির সহিত সংঘর্ষ:

১৬৫৬ খ্রীষ্টাব্দে দাক্ষিণাত্যের শাসনকর্তা ঔরঙ্গজেব বিজাপুর রাজ্য আক্রমণ করিলে, শিবাজী সুযোগ বুঝিয়া বিজাপুর রাজ্যের বিরুদ্ধে, এমনকি মোগল অধিকৃত অঞ্চল সমূহের উপরেও আক্রমনাত্মক কার্যকলাপ আরম্ভ করিলেন।

বিজাপুর ও মোগল অধিকৃত অঞ্চল আক্রমণ

অবশেষে ১৩৫৭ খ্রীষ্টাব্দে তাঁহার বিরুদ্ধে এক মোগল বাহিনী প্রেরিত হইলে তিনি পরাজিত হইলেন । কিন্তু তাঁহাকে একেবারে দমন করা সম্ভব হইল না।

আফজল খাঁর মৃত্যু

ইত্যবসরে ঔরঙ্গজেব দাক্ষিণাত্য ত্যাগ করিলে বিজাপুরের স্থলতান তাঁহাকে ধ্বংস করিবার জন্য সেনাপতি আফজল থাকে প্রেরণ করেন। সন্ধির সর্তাদি আলোচনার জন্য উভয়ের মধ্যে সাক্ষাৎ হইলে আফজল খাঁ শিবাজী কর্তৃক নিহত হন।

আফজল খাঁর হত্যা সম্পর্কে মতভেদ

কাফি খাঁ এই হত্যার জন্য শিবাজীকে সম্পূর্ণ দায়ী করিয়াছেন। তাঁহার মন্তব্যের উপর নির্ভর করিয়া গ্রান্ট ডাফ ( Grant Duff ) ও অপরাপর ইংরাজ ঐতিহাসিকগণ শিবাজীকেই বিশ্বাসঘাতক ও চক্রান্তকারী বলিয়া অভিহিত করিয়াছেন।

কিন্তু সমসাময়িক মারাঠা সাহিত্য ও ইংরাজ বাণিজ্য কুঠিতে রক্ষিত চিঠি পত্রাদি হইতে প্রতীয়মান হয় যে আফজল খাই শিবাজীকে হত্যা করিবার চক্রান্ত করিয়াছিলেন এবং শিবাজীকে আত্মরক্ষার্থে ‘বাঘনথ’ ব্যবহার করিতে হয়। যাহাই হউক, ইহার পরও বিজাপুরের সুলতান আরও কয়েকটি অভিযান প্রেরণ করিয়া ব্যর্থ হইলে শিবাজীর সহিত সন্ধি করিতে বাধ্য হন।

শায়েস্তা খাঁ শিবাজীর পরাজয়, পুরন্দরের সন্ধি

অতঃপর শিবাজী মোগল রাজ্য আক্রমণ আরম্ভ করিলে দিল্লীর সম্রাট ঔরঙ্গজেব তাঁহার বিরুদ্ধে শায়েস্তা খাঁকে প্রেরণ করেন। শায়েস্তা খাঁ পরাজিত ও আহত হইয়া ফিরিয়া গেলে ঔরঙ্গজেব জয় সিংহ ও দিলীর খাঁকে শিবাজীর বিরুদ্ধে প্রেরণ করেন। শিবাজী এবার পরাজিত হইয়া ১৬৬৫ খ্রীষ্টাব্দে পুরন্দরের সন্ধি স্বাক্ষর করেন এবং ২৩টি দুর্গ মোগল হস্তে সমর্পণ করেন এবং বিজাপুরের বিরুদ্ধে মোগল বাহিনীকে সাহায্য করিতে প্রতিশ্রুত হন।

শিবাজী দিল্লীতে নজরবন্দী

ইহার অব্যবহিত পরে শিবাজী জয় সিংহের পরামর্শক্রমে দিল্লীতে ঔরঙ্গজেবের দরবারে উপস্থিত হইলেন । সেখানে ঔরঙ্গজেব পুত্র শম্ভুঙ্গী সহ শিবাজীকে ন র বন্দী করিয়া রাখিলেন।

শিবাজীর দিল্লী গমনের উদ্দেশ্য

শিবাজী কেন দিল্লী যাইতে সম্মত হইয়াছিলেন তাহা আজও তর্কের বিষয় হইয়া আছে। ঐতিহাসিক সরদেশাই বলেন যে শিবাজী স্বচক্ষে মোগল শক্তি নির্ণয় করিবার জন্যই দিল্লী যাইতে রাজী হইয়াছিলেন। ডাঃ কালিকিঙ্কর দত্ত বলেন যে, তিনি বিশেষ কতকগুলি সুযোগ-সুবিধা আদায় করিতে পারিবেন এই আশা লইয়াই দিল্লী গমন করিয়াছিলেন ।

“We know, on the other hand, that Jay Singh had to persuade him to take such a risky step by holding out promises of reward. To secure the consent of the Emperor to the occupation of the island of Janjira, then held by the Siddi, an imperial servant, might have also been an objective of the Maratha Chief.”-Dr. Kalikinkar Datta.

শিবাজীর মুক্তি মোগলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ

যাহাই হোক শিবাজী অল্প সময়ের মধ্যেই কৌশলে দিল্লী হইতে নিজেকে মুক্ত করিয়া মহারাষ্ট্রে ফিরিয়া আসিলেন এবং মোগল শক্তির বিরুদ্ধে অবিরত সংগ্রাম চালাইয়া একে একে সমস্ত দুর্গ পুনরুদ্ধার করিলেন ।

ঔরঙ্গজেব তখন উত্তর-পশ্চিম সীমান্তের আফগান দলপতিদের বিদ্রোহ দমনে ব্যস্ত ছিলেন; সুতরাং শিবাজীর বিরুদ্ধে কোন প্রকার ব্যবস্থা অবলম্বন করিতে পারিলেন না।

রাজা উপাধি গ্রহণ শিবাজীর মৃত্যু

১৬৭৪ খ্রীষ্টাব্দে শিবাজী রায়গড় দুর্গে ‘ছত্রপতি গোব্রাহ্মণ-প্রজাপালক’ উপাধি ধারণ করিয়া সিংহাসনে আরোহণ করেন। ইহার পর তিনি জিঞ্জি, ভেলোর এবং মহীশূরের এক বৃহদাংশ তাঁহার রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করিয়া লন।

এইরূপভাবে তিনি যখন রাজ্যের সীমা বিস্তারে ব্যস্ত তখন অকস্মাৎ ১৬৮০ খ্রীষ্টাব্দে তাঁহার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর সময়ে তাঁহার রাজ্য উত্তরে রামনগর হইতে দক্ষিণে কারওয়ার, পূর্বে বাগলানা হইতে পশ্চিমে আরব সাগর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

শিবাজীর মৃত্যু কিভাবে হয়েছিল?

শিবাজীর প্রকৃত মৃত্যুর কারণ নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে অনেক মত পার্থক্য আছে।শিবাজী মহারাজকে গোপনে বিষ খাওয়ানো হয়, এবং শরীরে বিষক্রিয়ার ফলে তার মৃত্যু হয়। কিন্তু শিবাজীকে কে বিষ খাওয়ায় এই নিয়ে দুটি মত আছে।

শিবাজীর সঙ্গে সম্ভাজি বিভিন্ন কারণে ঝগড়া শুরু হয় এবং তাদের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে।এমনকি, শিবাজি একবার সম্ভাজিকে বন্দী করে ছিল, যেকারণে সম্ভাজি ক্ষুব্ধ হয়ে শিবাজীকে বিষ খাইয়ে হত্যা করে।

আরেক মতে শিবাজীর এক স্ত্রী সোয়রা বাই, তার পুত্র রামকে পরবর্তী ছত্রপতি হিসেবে সিংহাসনে বসানোর জন্য, সম্ভাজি সঙ্গে গোপনে সন্ধি করে বিষ খাইয়ে হত্যা করে।

আবার অনেকে মনে করেন শিবাজী মারা যাবার আগে বেশ কিছু দিন কঠিন রোগে ভোগেন। কঠিন রোগ থেকে তিনি আর কোন দিন সুস্থ হতে পারেননি যেকারণে তার মৃত্যু হয়।

উপসংহার:


উপরে উল্লেখিত মারাঠা শক্তির উত্থানে শিবাজীর ভূমিকা ছিল অপরিসীম। তার চরিত্র, বৈশিষ্ট্রের কারণে এখনো পর্যন্ত মারাঠারা তাকে পূজা করে থাকেন। আমাদের দেওয়া শিবাজীর নেতৃত্বে মারাঠাদের উত্থান সম্পর্কিত তথ্য ছাড়া অন্য কোন তথ্য আপনাদের জানা থাকলে, আপনারা আমাদের কম্যান্ড বক্সতে কম্যান্ড করে জানাতে ভুলবেন না, কারণ আপনাদের দেওয়া তথ্য আমাদেরকে আরো বেশি করে লেখার প্রতি সচেতন করবে।

FAQs মারাঠা শক্তির উত্থান

প্রশ্ন: মারাঠা বলতে কোন রাজ্যকে বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: মারাঠা বলতে বিশেষত মহারাষ্ট্র রাজ্যকে বোঝানো হয়েছে।

প্রশ্ন: মারাঠা সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাতা কে?

উত্তর: মারাঠা সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাতা হলেন বালাজি বিশ্বনাথ।

প্রশ্ন: মারাঠা শক্তির প্রতিষ্ঠাতা কে?

উত্তর: মারাঠা শক্তির প্রতিষ্ঠাতা হলেন শিবাজী মহারাজ।

প্রশ্ন: মারাঠা নিজেদের রাজ্যকে কি বলতো?

উত্তর: মারাঠারা নিজেদের রাজ্যকে মারাঠা সংঘ বলতো।

Hey, My Name is Priyanka From Diamond Harbour, West Bengal & I Have Been Blogging Since 3 Years Ago. I Have 10+ Websites Which I Manage by Myself. I completed my graduation in philosophy.

Leave a Comment